Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
সারদা চিটফান্ডের টাকা ফেরৎ দিলেন শতাব্দী রায়

সারদা চিটফান্ডের টাকা ফেরৎ দিলেন শতাব্দী রায়

Shtabdi Roy

ডিজিটাল ডেস্ক, ৪ সেপ্টেম্বর –  অবশেষে ইডিকে সারদা চিটফান্ডের টাকা ফেরৎ দিলেন তৃণমূল সাংসদ  শতাব্দী রায় (Satabdi Roy) । সংবাদ সূত্রের ভিত্তি জানা যায়, বিগত ৬ বছর ধরে সারদা গ্রুপের বিপুল পরিমাণের অর্থের ঘোটালা কে সামনে এনে দোষীদের পরিক্রমা চালিয়ে যাচ্ছে , সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর ।
২০১৩ সালে বর্তমান রাজ্য সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকাকালীন, এ রাজ্যে সারদা গোষ্ঠী বিপুল পরিমাণের টাকা আত্মসাৎ করে সাধারণ মানুষের, কষ্টের জমানো মূলধন অধিক সুদ পাবার আসায় লগ্নি করেন সাধারণ মানুষ । তবে, ২০১৩ সালে হটাৎ বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে ধোকা দেয় ওঁই সারদা গোষ্ঠী । শুরু হয়, গোষ্ঠীর মুল কর্ণধার থেকে অন্যান্য সহকর্মীদের গ্রেপ্তার । কর্মীদের গ্রেপ্তারের পরে নাম উঠে আসে শাসক দলের বহু নেতা মন্ত্রীর নাম।  সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরা জোর কদমে পরিক্রমা শুরু করেন, এমনকি জেল ও খাটেন কয়েক নেতা। জানা যায় এদিন খোদ তৃনমূল সাংসদ শতাব্দী রায়  এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের হাতে তুলে দিয়েছেন ৩১ লাখ টাকা ।

আরোও পড়ুন –টুরিস্ট স্পট হতে চলেছে মোদীর সেই চায়ের দোকান

শতাব্দীর দাবী, তিনি এই সংস্থার সাথে অভ্যন্তরীণ ভাবে যুক্ত ছিলেন না, তিনি একধারে সাংসদ হলেও তিনি একজন অভিনেত্রী তাকে সারদা গোষ্ঠীর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বানানো হয়েছিলো , আর তারই পারিশ্রমিক তিনি নিয়েছিলেন । সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর এর তদন্তে প্রকাশ হয়, সারদা গোষ্ঠীর সাথে শতাব্দী রায়ের ৪৯ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিলো , তবে শতাব্দী জানিয়েছেন, তাঁর হাতে ৩১ লক্ষ টাকাই আসে । .

উল্লেখ্য যে সারদা গোষ্ঠীর থেকে অর্থ নেবার লিস্টে নাম আসে, অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং প্রাক্তন পরিবহন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা মদন মিত্রকে তদন্তের জন্য ডেকে পাঠায় সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর ।

(এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে, বং- সময় সংবাদ এই সংবাদ প্রকাশ করেনি ।)


Comments are closed.

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

অন্যান্য ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বং-সময় সংবাদ দায়ী নয় ।